গুচ্ছকবিতা।। দ্বীপ সরকার
শ্যামলী হাওয়ার মৈথুন
আস্তে আস্তে ওভারব্রীজ পার হচ্ছে শ্যামলী,
দীর্ঘ সর্পিনীর মতো
লেজ থেকে ছিঁড়ে আসে মায়াবী চুলের ঘ্রাণ
তখন আমি,অদূরে,দোতলার রেলিং এ
স্মৃতি পাহারা দেই
মায়াবি চুল তার,বিস্ময়কর ধনুকের মতোন
আমার চোখ মুখ ফালাফালা করে
আমি আহত পাখির মতোন নিম্নগামী হতে হতে
———লুটিয়ে পড়ি
শ্যামলী হাওয়ার মৈথুন
যুগ যুগ ধরে নেচে যায়
আর আমি স্মৃতি পাহারা দেই রেলিং ধরে
স’মিল
স’মিলের মতো ফাঁড়িয়ে যাচ্ছো
আমার পুষ্পিত,বকুল হৃদয়
তুমি তো খুব পারো বটে
আমি জানি,তুমি চোখের শহরে
গোপনে গড়েছো স’মিলের মিউজিয়াম
এই মিউজিয়ামে——
মজিয়ে তুলছো শানের আওয়াজ—
করাতে পিন্দেছো রক্তের টি শার্ট
তুমি খুব পারো বটে
তাতে,পৃথিবী থেকে হয়ত একটা ‘আমি’
কাঠের গুঁড়ো হয়ে যাবো
তারপর.সেটা চুলোর জ্বালানি
তারপর ছাই
শুনেছি এই ছাই দিয়েও অনেক কাম হয়!
তোমার চোখের শহরে ইদানিং অনেকে পা দেয়
অনেকে কাঠ হচ্ছে,ছাই হচ্ছে
তারপর যখন পৃথিবীর সকল ছাই একত্রিত হবো
তোমার করাত চোখে
ছুঁড়ে মারবো শত কোটি ছাইয়ের অন্ধকার
বেণিকুঞ্জের বালিকা
তোমার বেণিকুঞ্জে——
গোলাপ পরিয়েছে কে?
সে কি জানে না তোমার বেণিতে গোলাপের চাষ হয়?
তোমার বেণি তো মারাত্মক কিসিমের ঊর্বর
রোদ পড়লেই ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে ওঠে
তারপর হাওয়ার গুঞ্জনে,মিতালি বয়ে যায় সার্কাসের দিকে
কেউ একজন বলেছিলো,তোমার বেণিকুঞ্জের কথা
আজ মনে নেই——
বেড়ালছানারা নাকি তোমার বেণিতে চড়ে লাফায়,
মাথা আঁচড়াইতে আঁচড়াইতে
যে উকুনগুলো পুটুস করে মারো
সেগুলো কিনা,সম্রাট শাহজাহানের সময়কালের
পিঠ চওড়া চওড়া,কালো কিশকিশে—বিশালাকায়
ভ্রান্তির নিকটে আমি বারবার যাই
তোমার বেণি স্পর্শ করলে,গোলাপ পড়ে হাতে
গোলাপ স্পর্শ করলে উকুন
তবু তো মিহিমিহি করোটি বেণিতে ঢেলে দিচ্ছে বনবিথিকা
ঘন অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে মোঘলদের ইতিহাস
হর্নের সিম্ফনি
এই যে,যান্ত্রিক শহরে
তিন চাকা যানের ওড়াউড়ি
এই যে চেনা গলিতে
রঙিন বালিকাদের ওড়াউড়ি
কুহু কাননে সুশোভিত হাওয়ার ট্রল
রিক্সা কিংবা অটোতে
পিচের সড়ক গলে যেতে যেতে
আমি তুমি নিরর্থক হয়ে যাচ্ছি
কানে কানে হর্ণের সিম্ফনি এসে
থমকে দিচ্ছে তোমার আামর ইশারা
এর দায় কে নেবে?
রিক্সাওয়ালা কিংবা অটো চালক
এদের কেউ কেউ
আমাদের উন্নয়ন সড়কে
অনবরত দুঃখ ঢালে
রিক্সার প্যাডেলে দুঃখ টানে রোজ
দীর্ঘ সর্পিনীর মতো
লেজ থেকে ছিঁড়ে আসে মায়াবী চুলের ঘ্রাণ
তখন আমি,অদূরে,দোতলার রেলিং এ
স্মৃতি পাহারা দেই
মায়াবি চুল তার,বিস্ময়কর ধনুকের মতোন
আমার চোখ মুখ ফালাফালা করে
আমি আহত পাখির মতোন নিম্নগামী হতে হতে
———লুটিয়ে পড়ি
শ্যামলী হাওয়ার মৈথুন
যুগ যুগ ধরে নেচে যায়
আর আমি স্মৃতি পাহারা দেই রেলিং ধরে
স’মিল
স’মিলের মতো ফাঁড়িয়ে যাচ্ছো
আমার পুষ্পিত,বকুল হৃদয়
তুমি তো খুব পারো বটে
আমি জানি,তুমি চোখের শহরে
গোপনে গড়েছো স’মিলের মিউজিয়াম
এই মিউজিয়ামে——
মজিয়ে তুলছো শানের আওয়াজ—
করাতে পিন্দেছো রক্তের টি শার্ট
তুমি খুব পারো বটে
তাতে,পৃথিবী থেকে হয়ত একটা ‘আমি’
কাঠের গুঁড়ো হয়ে যাবো
তারপর.সেটা চুলোর জ্বালানি
তারপর ছাই
শুনেছি এই ছাই দিয়েও অনেক কাম হয়!
তোমার চোখের শহরে ইদানিং অনেকে পা দেয়
অনেকে কাঠ হচ্ছে,ছাই হচ্ছে
তারপর যখন পৃথিবীর সকল ছাই একত্রিত হবো
তোমার করাত চোখে
ছুঁড়ে মারবো শত কোটি ছাইয়ের অন্ধকার
বেণিকুঞ্জের বালিকা
তোমার বেণিকুঞ্জে——
গোলাপ পরিয়েছে কে?
সে কি জানে না তোমার বেণিতে গোলাপের চাষ হয়?
তোমার বেণি তো মারাত্মক কিসিমের ঊর্বর
রোদ পড়লেই ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে ওঠে
তারপর হাওয়ার গুঞ্জনে,মিতালি বয়ে যায় সার্কাসের দিকে
কেউ একজন বলেছিলো,তোমার বেণিকুঞ্জের কথা
আজ মনে নেই——
বেড়ালছানারা নাকি তোমার বেণিতে চড়ে লাফায়,
মাথা আঁচড়াইতে আঁচড়াইতে
যে উকুনগুলো পুটুস করে মারো
সেগুলো কিনা,সম্রাট শাহজাহানের সময়কালের
পিঠ চওড়া চওড়া,কালো কিশকিশে—বিশালাকায়
ভ্রান্তির নিকটে আমি বারবার যাই
তোমার বেণি স্পর্শ করলে,গোলাপ পড়ে হাতে
গোলাপ স্পর্শ করলে উকুন
তবু তো মিহিমিহি করোটি বেণিতে ঢেলে দিচ্ছে বনবিথিকা
ঘন অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে মোঘলদের ইতিহাস
হর্নের সিম্ফনি
এই যে,যান্ত্রিক শহরে
তিন চাকা যানের ওড়াউড়ি
এই যে চেনা গলিতে
রঙিন বালিকাদের ওড়াউড়ি
কুহু কাননে সুশোভিত হাওয়ার ট্রল
রিক্সা কিংবা অটোতে
পিচের সড়ক গলে যেতে যেতে
আমি তুমি নিরর্থক হয়ে যাচ্ছি
কানে কানে হর্ণের সিম্ফনি এসে
থমকে দিচ্ছে তোমার আামর ইশারা
এর দায় কে নেবে?
রিক্সাওয়ালা কিংবা অটো চালক
এদের কেউ কেউ
আমাদের উন্নয়ন সড়কে
অনবরত দুঃখ ঢালে
রিক্সার প্যাডেলে দুঃখ টানে রোজ
হীরক রঙের ভাত
কাটারিভোগ চালের ভাত
অতি চিকন,সাদা কিসিমের
পাতে যখন ওঠে চামচে চামচে
আমি মেঘলতিকার মতোন উড়ে যাই——
নারিকেল পাতার অহংকারি ছায়ায়
আমি নড়ে উঠি,
মা বলে,তোর কি হইচে?
আমার চোখে ভাসে, চিকন হীরক রঙের ভাত
আমার মুখে এতো সুস্বাদু ভাত যাবে কি করে?
মা’কে বলেছিলাম——
স্কুলপাড়ার শেফালির মা,কি চালের ভাত খায়?
শেফালির মা দিনমান চায়া চিন্তায় যা পায়
সন্ধ্যাবেলায় খুপড়ি ঘরে এসে হাড়ি চড়ায়
আমার কথায় মা চুপ থাকে!!
সন্ধ্যায় যাদের মুখ নড়ে ওঠে,মাটির হেঁসেলে
তারা দুখী সম্প্রদায়ের লোক
মোটা—চিকন, লাল—সাদা,হরেক রবম চাল——তাদের আয়না
এই বিচিত্র আয়নায় তারা ভেসে ওঠে সন্ধ্যায়
তাদের জিবে পরানো আছে হীরকের চাকু
যা দেয়,তাই হজম হয়
কাটারিভোগ চালের ভাত
অতি চিকন,সাদা কিসিমের
পাতে যখন ওঠে চামচে চামচে
আমি মেঘলতিকার মতোন উড়ে যাই——
নারিকেল পাতার অহংকারি ছায়ায়
আমি নড়ে উঠি,
মা বলে,তোর কি হইচে?
আমার চোখে ভাসে, চিকন হীরক রঙের ভাত
আমার মুখে এতো সুস্বাদু ভাত যাবে কি করে?
মা’কে বলেছিলাম——
স্কুলপাড়ার শেফালির মা,কি চালের ভাত খায়?
শেফালির মা দিনমান চায়া চিন্তায় যা পায়
সন্ধ্যাবেলায় খুপড়ি ঘরে এসে হাড়ি চড়ায়
আমার কথায় মা চুপ থাকে!!
সন্ধ্যায় যাদের মুখ নড়ে ওঠে,মাটির হেঁসেলে
তারা দুখী সম্প্রদায়ের লোক
মোটা—চিকন, লাল—সাদা,হরেক রবম চাল——তাদের আয়না
এই বিচিত্র আয়নায় তারা ভেসে ওঠে সন্ধ্যায়
তাদের জিবে পরানো আছে হীরকের চাকু
যা দেয়,তাই হজম হয়
আরো পড়ুন.....
কবি খৈয়াম কাদের বিষয়ক প্রবন্ধ পড়ুন এখানে
মৃত মানুষের ঘ্রাণ বিক্রি করি পড়ুন এখানে
মিনিখ ও মেরাজের নৈঃশব্দ পড়ুন এখানে
কবিতা অরফিয়াস পড়ুন এখানে
বাংলা একাডেমি পড়ুন এখানে
মাটির হেঁসেল পড়ুন এখানে
উপসচিব ও অন্যান্য কবিতা পড়ুন
ছবি ব্লগ কিস্তি ২ এখানে
জুবিলিদের পাশের বাড়ির মেয়েটি পড়ুন এখানে
কবিতা উপসচিব ও অন্যান্য পড়ুন এখানে
অন্ধ আয়নার গল্প পড়ুন এখানে
মেডিকেল ও কাঁটাপাথর এখানে পড়ুন
গোলাম কিবরিয়া পিনু'কর্মকান্ড নিয়ে বিন্তর আলোচনা পড়ুন
৫টি কবিতা পড়ুন এখান
সোনালী কাবিন পাঠ আলোচনা এখানে
পাঁচটি কবিতা পড়ুন
ঝাউপাতার ঝাঁপতাল এখানে পড়ুন
ছবি আর্কাইভ ১ দেখুন
দেহখানি তার চিকন চাঁদ এখানে
নীলিতারা পড়ুন


0 মন্তব্যসমূহ
ধন্যবাদ আপনাকে