অস্তিত্ববাদী গল্প। মিনিখ ও মেরাজের নৈঃশব্দ্য। minikh o merazer noishobdo। দ্বীপ সরকার

মিনিখ ও মিরাজের গল্প। দ্বীপ সরকার

অস্তিত্ববাদী গল্প


মিনিখ ও মেরাজের নৈঃশব্দ্য

দ্বীপ সরকার


মেরাজ প্রথম মিনিখকে দেখেছিল এক বৃষ্টিভেজা বিকেলে। বগুড়া পাবলিক লাইব্রেরীর সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে মেয়েটি ভেজা চুল ঝাড়ছিল। বাড়িতে যেরুপ করে বড় টাওয়েল দিয়ে মাথাটা এদিক সেদিক ঘুরিয়ে চুল ঝাড়ে,ঠিক সে রকম করে নয়। এক হাত দিয়ে চুলের অগ্রভাগ ধরে আরেক হাত দিয়ে অল্পজোরে ঝাড়ি দিয়ে চুলের ভেতরকার পানি ছাড়ায়। চারদিকে ঝাপসা আলো, রাস্তার উপর জমে থাকা পানিতে আকাশের মৃত রঙ ভাসছিল। কেথাও কালো,কোথাও দলা পাকানো ছাইয়ের মতো মেঘ ভাসছে। মেরাজের প্রথম দেখায় মনে হয়েছিল—এই মেয়েটি যেন পৃথিবীর নয়। এতো সুন্দর মানুষ হয়? আল্লাহর বড়ই নিয়ামত। এরচে আরো গভীর করে ভাবলো,মেয়েটি হয়তো এমন এক শূন্যতা থেকে উঠে এসেছে, যেখানে মানুষ নিজেকে খুঁজে পায় না। হতে পারে এটি জটিল এবং দার্শনিক চিন্তা,কিন্ত মেরাজ তো দর্শনেরই ছাত্র। 


মিনিখ সরাসরি মেরাজের চোখে তাকায় । সেই দৃষ্টিতে কোন লজ্জা নেই, এক অদ্ভুত ক্লান্তি। যেন বহু জন্ম ধরে সে মেরাজকে দেখছে। আকাশে মেঘ জমলেই সে লাইব্রেরীতে আসে। অনেকবার দেখা হয়েছে। কিন্ত কোন কথা হয়নি কোন দিন। মেয়েটি আজকে হঠাৎ প্রশ্ন করে বসলো-

“আপনি কি বই পড়তে আসেন, নাকি লুকাতে?”


মেরাজ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে,

“দুটোই।”


সেদিন থেকেই তাদের কথা হতে থাকে। কথার এক সময় আকাশের মেঘ আরো ঘন হলে ঝমঝম করে বৃষ্টি নামে। সামান্য কথা,বেশিটাই চোখাচোখি। যেনো,চোখদ্বয় পাহাড়ের মতো খাড়া হয়ে আছে মুখোমুখি।


মেরাজের জীবন বরাবরই অগোছালো। বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন পড়লেও সে কখনো কোনো মতবাদ পুরোপুরি মানতে পারেনি। তার মনে হতো, মানুষ মূলত একা জন্মায়, একা মরে, মাঝখানে সম্পর্কগুলো কেবল অন্ধকারে জ্বালানো ক্ষণিকের আগুন। মিনিখ কি তার সেই বিশ্বাসে ফাটল ধরালো?


মিনিখ খুব অদ্ভুত। অন্যসব মেয়েদের থেকে আলাদা। সবসময় গম্ভীর থাকে। ফিজিক্সের ছাত্রী তো এমন গম্ভীর হয় না। বাংলা হলে একটা কথা ছিলো-কবিতা টবিতা মাথায় ভর করে। সেদিন গভীর রাতে ফোন করে মিনিখ,

“চলো, রেললাইনের পাশে হাঁটি।”

মেরাজ ফোন ধরে তার বায়নায় সাড়া দেয়।


মিনিখ পরের দিন নিখোঁজ। এ রকম মাঝে মাধ্যেই নিখোঁজ হয়। পরিবার থেকে অনেক চাপ আসলেও সেটা মানিয়ে নেয়। মেরাজ তখন শহরের প্রতিটি কফিশপ, প্রতিটি বইয়ের দোকান, প্রতিটি বাসস্ট্যান্ডে তাকে খুঁজে। মেরাজের মনে হয়, মিনিখ হারিয়ে গেলে পৃথিবীর সব শব্দও নিঃশেষ হয়ে যাবে। মিনিখ তার নিকটে সব ক্লান্তি শ্রান্তির আশ্রয়।


এর কয়েকদিন পর,এক রাতে তারা খান্দারের দক্ষিনে বাইপাস সংলগ্ন একটা বিশাল দিঘী আছে,ওর পাড়ে এসে বসেছিল। বিকেল থেকেই এখানে ইদানিং কপোত কপোতিরা ভিড় করে। চারপাশে সবুজ ঘাসের পাড়। চারদিকে কুয়াশা। দূরের আলো ভাঙা তারার মতো জ্বলছিল।

মিনিখ বলল,


“তুমি কি মৃত্যুকে ভয় পাও?”

মেরাজ হেসে বলল,

“মৃত্যুকে না। অর্থহীনতাকে ভয় পাই।”

“দুটো কি আলাদা?”

“হয়তো না। তবে,আমি ভাবি আলাদা”


মেরাজ তখন সিগারেট টানছিলো। সিগারেটের ধোঁয়া মিনিখের কালো চুলে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে নাকের নিকট দিয়ে উড়ে যায়। খারাপ লাগছে না মিনিখের। মিনিখ ওর নিকট থেকে সিগারেট চেয়ে নেয়। মেরাজ কোন ভনিতা বা প্রশ্ন না করে আরো দুটো টান দিয়ে মিনিখকে দেয়। মিনিখের চোখে জ্বল জ্বল করছে ফিজিক্সের নিরীক্ষাধর্মী কালো ধোঁয়া। মিনিখ সজোরে ধোঁয়া ছেড়ে ফিসফিস করে বলে,


“আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা আসলে কেউ-ই বাস্তব নয়। আমরা কেবল কারও স্বপ্নের ভিতর আটকে আছি।”

মেরাজ হেসে বলে,

“তোমার ধারণা অমুলক নয়,সিগারেটের ধোঁয়ার মতো ব্যপার। এই ধোঁয়া তো শেষমেষ কোথাও গিয়ে আটকে থাকে। ওটাই শেষ গন্তব্য তার—-”


মেরাজ কথা বেশিদূর না টেনে বরং মিনিখের কথা নিয়ে আবারও ভাবে। কারণ সে জানে, মিনিখ যখন এমন কথা বলে, তখন তার চোখের ভিতরে এক ধরনের আলো ছল ছল করে। তবে কি মিনিখ কিছু নিয়ে ভাবছে? মিনিখের কথার দৌড় অনেকদূর। তারা কি আদৌ অবাস্তব? তার মানে এসব প্রেম,সম্পর্ক অবাস্তব?


মেরাজের দর্শনের চেয়ে গভীর মিনিখের জটিল চিন্তা। গম্ভীরতা তাকে কবি বানাতে পারেনি ঠিকি কিন্তু ক্লাসের আর আর দশজন তার ভাবগত চিন্তা কখনও ধরতে পারে কখনও ধরতে পারে না। 


ইদানিং মিনিখ ধিরে ধিরে ব্যাতিক্রম হচ্ছে। আরো জটিল হচ্ছে সম্পর্ক। তাদের প্রেম অসুস্থ রকম গভীর। কোথাও ডেটিং করলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একে অপরের পাশে বসে থাকে। ঘন্টার পর ঘন্টা কোনো কথা না বলে বসে থাকে। অভিমাণ বেশি ভারি হলে,কোন কথা না বলে যে যার মতো উঠে চলে যায়। এ রকম ঘটনা এদের অনেক। 


শুক্রবার ছুটির দিন। এই দিনে শিক্ষক ছাত্র ছাত্রী এমন কি ব্যবসায়িকরাও মাথা ঝেড়ে ঘুম পাড়ে। একটু দেড়িতে ওঠে। আলুঢালু শরীরে খেতে বসে। বিকেলে মিনিখ ম্যসেজ করলো “রাত দশটায় ওই দিঘীতে যাবো’। মেরাজ লিখলো”ওকে”।


তারা রাত দশটায় খান্দারের বাইপাসের ওই দিঘীতে আসে। দীর্ঘ সময় গল্প,চোখ থেকে চোখের নিশানা।

মিনিখ মেরাজের বুকের উপর মাথা রেখে বলে,


“যদি একদিন আমি হারিয়ে যাই?”

মেরাজ বলে,

“তোমাকে শহরে ওলিগলি খুঁজব।”

“আর যদি না পাও?”

“তাহলে আমিও হারিয়ে যাব।”


এই উত্তর শুনে মিনিখ কাঁদে। মেরাজ বুঝতে পারে না কেন। তবে এটুকু বুঝে, মিনিখ তাকে অসম্ভব ভালোবাসে।



শীতের এক রাতে মিনিখ তাকে নিয়ে গেল শহরের প্রান্তে, একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে। বাড়িটা একসময় জমিদারদের ছিল। এখন দেয়ালজুড়ে শেওলা, জানালাগুলো ভাঙা, আর ভিতরে কেবল বাতাসের শব্দ।


“এখানে আমি ছোটবেলায় থাকতাম,” মিনিখ বলল।

“এখন কেউ থাকে না?”

“থাকে। শুধু স্মৃতি।”


মেরাজ হাসল না,বরং বিস্মিত হলো। কারণ মিনিখের কণ্ঠে এমন কিছু ছিল, যা ঠাট্টার বস্তু হতে পারে না। মিনিখ যা বলে সত্য এবং সিরিয়াস। ঘুরতে ঘুরতে বাড়ির এক কোণে তারা একটি পুরোনো আয়না পেল। ধুলোমাখা আয়নায় নিজেদের প্রতিবিম্ব দেখে মেরাজ কেঁপে উঠল। মেরাজের ভাবল, আয়নার ভেতরের মানুষ দুটো তাদের মতো হলেও পুরোপুরি তারা নয়। মিনিখ ফিসফিস করে বলল,


“তুমি কি কখনো অনুভব করো, আমরা একে ওপরে অতিথি?”

“সবসময়।”

“তাহলে ভালোবাসা কী?”

মেরাজ উত্তর খুঁজে পেল না। মিনিখ নিজেই বলল,“হয়তো ভালোবাসা হলো—দুইটা হারিয়ে যাওয়া অস্তিত্বের সাময়িক আশ্রয়।” মেরাজের দীর্ঘম্বাস আরো দীর্ঘ হতে থাকে।


এইদিনের পর থেকে সব বদলাতে শুরু করল। মিনিখ ধিরে ধিরে আরও অদ্ভুত হয়ে উঠল। কখনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙে ফোন দিয়ে বলে,

“মেরাজ, আমার দেয়ালের ভিতর কেউ হাঁটে।”

অন্য আরেকদিন হঠাৎ বলে,

“আমার মনে হয়, আমি মরে গেছি অনেক আগেই।”

মেরাজ তাকে ডাক্তার দেখাতে চায়। কিন্তু মিনিখ ভয় পায়।


“ওরা আমাকে বাস্তব বানিয়ে ফেলবে,আমি বাস্তব হতে চাই না।” মিনিখ মাঝে মধ্যেই বলে। মেরাজ এর মানে বুঝে না। এটা পাগলামি, নাকি গভীর কোনো দার্শনিক যন্ত্রণা। 


একদিন মিনিখ হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেল। ফোন বন্ধ। বাসা খালি। পরিচিত কেউ জানে না, মিনিখ কোথায়। মেরাজ পাগলের মতো খুঁজতে লাগল। দিন কেটে গেল। রাত কেটে গেল। শহরটা তার কাছে মৃত নদীর মতো লাগতে শুরু করল,যেনো কুল কিনারাহীন নদীতে সে মিনিখকে খুঁজছে। পরের দিন ঝুম বৃষ্টি সবখানে। বৃষ্টির রাতে মেরাজ আবার সেই পুরোনো জমিদারবাড়িতে গেল। দরজা হাট করে খোলা। ভেতরে ঢুকতেই শুনতে পেল,মৃদু গানের শব্দ–

“বন্ধু জানি না তুমি কেমন আছো”।


মিনিখ মোমবাতির আলোয় বসে আছে। পরনে সূতি সাদা শাড়ী। চোখদুটো অদ্ভুত শান্ত। মেরাজ দৌড়ে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে–


“মিনিখ তুমি এখানে কেন?”

মিনিখ কিছু বলল না।

কিছুক্ষণ পরে মিনিখ ফিসফিস করে বলে,

“তুমি কি আমাকে সত্যি ভালোবাসো?”

“এই প্রশ্ন কেন মিনিখ?”

“কারণ ভালোবাসা যদি সত্যি হয়, তাহলে সেটা কি মৃত্যুর চেয়েও বড়?”


মেরাজ থেমে গেল। মিনিখের এটা পাগলামি। এসব কি বলছো তুমি? মেরাজ বলল। মিনিখ তার হাত ধরে বাড়ির পেছনের ঘরে নিয়ে গেল। সেখানে মেঝের উপর অসংখ্য কাগজ ছড়ানো ছিটানো। প্রতিটি কাগজে একই বাক্য লেখা—


“ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে মৃত্যু প্রয়োজন।”


মেরাজ শিউরে উঠে বলে “এগুলো কী?”

মিনিখ শান্ত গলায় বলে,

“আমি অনেকদিন ধরে ভাবছি। মানুষ আসলে কেন বাঁচে? স্মৃতির জন্য? ভালোবাসার জন্য? নাকি কেবল মৃত্যুকে বিলম্বিত করার জন্য?”

“তুমি অসুস্থ, মিনিখ।”

“না। আমি কেবল সত্যিটা দেখতে পাচ্ছি,আর সেটা প্রেম। আর প্রেমকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে কেবল মৃত্যু”।


তারপর মিনিখ বলল এমন এক কথা, যা মেরাজের শরীর ঠান্ডা করে দিল।

“যদি আমরা একসাথে মরে যাই, তাহলে আমাদের ভালোবাসা আর কখনো নষ্ট হবে না।” মেরাজ ভয় পায়। মেরাজের রক্ত ঠান্ডা হতে থাকে। কিন্তু একইসাথে সে বুঝল, মিনিখের যন্ত্রণার গভীরতা এত বেশি যে সাধারণ ভাষায় তাকে ফেরানো অসম্ভব। সে মিনিখকে জড়িয়ে ধরে বলল,


“মৃত্যু কোনো সমাধান নয় মিনিখ।”

মিনিখ মৃদু হেসে বলল,

“এটাই স্থায়ী সমাধান। 

মেরাজ বলল,

“মানুষ বেঁচে থাকলেই তো ভালোবাসা টিকে থাকে।”

মিনিখ আস্তে আস্তে বলল,

“ভুল। বেঁচে থাকলে মানুষ বদলে যায়। ভালোবাসা পঁচে যায়। কিন্তু অসমাপ্ত জিনিস কখনো মরে না।”


মেরাজ অনুভব করল—মেয়েটি ধীরে ধীরে বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এক ভয়ংকর দর্শনের ভিতর ঢুকে গেছে। বাইরে তখন ঝড় উঠেছে। পুরোনো জমিদার বাড়ির জানালাগুলো কাঁপছে। মিনিখ টেবিলের উপর রাখা ছোট কাঁচের শিশি তুলে ধরল। বলল,


“এতে বিষ আছে,একসাথে শেষ হয়ে গেলে আমরা চিরকাল একই জায়গায় আটকে থাকব,আমাদের ভালোবাসা টিকে থাকবে”।


মেরাজের মাথার ভেতর দিয়ে ঝড় বয়ে গেল। সে মিনিখের সিরিয়াস হওয়ার কারণ বুঝতে পারে না। শান্ত করার চেষ্টা করে,কিন্তু মিনিখের যুক্তি তর্কে হেরে যাচ্ছে। বারবার ঠেলে বাইরের দিকে আনতে চায়,কিন্তু মিনিখ হাসে। চুলগুলো খানিকটা অগোছালো হয়ে গেল। মেরাজ চুলগুলো শান্তভাবে এঁটে দিতে দিতে বলে,বাড়ি চলো প্লিজ। মিনিখ তার চোয়ালে হাত রেখে চেয়ে থাকলো অনেকক্ষণ। মেরাজ ভাবলো, ভালোবাসা কখনো কখনো মানুষের অস্তিত্বকে রক্ষা করে না, বরং ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।


মিনিখ তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,


“তুমি তো বলেছিলে, আমি হারিয়ে গেলে তুমিও হারিয়ে যাবে।”

এই কথায় মেরাজ কেঁপে ওঠে। তার মনে হচ্ছিল, পৃথিবীতে এখন কেবল দুটো মানুষ বেঁচে আছে—সে আর মিনিখ। আর চারপাশের সবকিছু ধিরে ধিরে অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে।


মেরাজ এর কারণ,খুঁজে পায়। মিনিখ তাকে জীবন দিয়ে ভালোবাসে,সত্য। অথচ,মরতে চায় কেন? মরে গেলেই কি বেঁচে থাকা যায়? সে বুঝতে পারল, মিনিখ আসলে মরতে চায় না। সে চায়—তার অস্তিত্ব কোনোভাবে স্থায়ী হোক। তার অস্তিত্ব টিকে থাক,প্রেমিক শিরোনামে। 


মানুষ যখন পৃথিবীতে নিজের অর্থ খুঁজে পায় না, তখন মৃত্যু তাকে এক ধরনের চূড়ান্ত অর্থের ঠেলে দেয়। মেরাজ ধিরে ধিরে শিশিটা মিনিখের হাত থেকে নিয়ে মেঝেতে ছুঁড়ে মারল। শিশি ভেঙে গেল।

মিনিখ চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করল।

“তুমি বুঝলে না,মেরাজ! আমি হেরে গেলাম। আমি বাস্তব হতে চাইনি,হতে চেয়েছি স্বপ্ন”।


মেরাজ তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তার নিজেরও কান্না পাচ্ছে।

“আমরা সবাই হেরে গেছি,” মেরাজ ফিসফিস করে বলল।


মিনিখ দীর্ঘক্ষণ কাঁদল। বাইরে তখন বৃষ্টি থেমে গেছে। গভীর নীল অন্ধকারে ছেয়ে গেছে চারপাশটায়। মেরাজ চোখ মোছে আর ভাবে—মিনিখ হয়ত মরে প্রমাণ করতে চেয়েছিল,ভালোবাসা টিকে থাকে মৃত্যুতে।


আরো পড়ুন...


কবিতা অরফিয়াস পড়ুন এখানে
বাংলা একাডেমি পড়ুন এখানে
মাটির হেঁসেল পড়ুন এখানে
উপসচিব ও অন্যান্য কবিতা পড়ুন
ছবি ব্লগ কিস্তি ২ এখানে
জুবিলিদের পাশের বাড়ির মেয়েটি পড়ুন এখানে
কবিতা উপসচিব ও অন্যান্য পড়ুন এখানে
অন্ধ আয়নার গল্প পড়ুন এখানে
মেডিকেল ও কাঁটাপাথর এখানে পড়ুন
গোলাম কিবরিয়া পিনু'কর্মকান্ড নিয়ে বিন্তর আলোচনা পড়ুন
৫টি কবিতা পড়ুন এখান

সোনালী কাবিন পাঠ আলোচনা এখানে


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ