খিদে
যে বছর আমার ক্ষুধা বেড়ে গিয়েছিলো
সে বছরেই তিনটা গরু কিনেছিলাম
গরু যখন চাড়ির ভেতর নাক চুবিয়ে
অনেকক্ষণ ঘেঁটে ঘেঁটে তুলে আনে বেঁচে থাকার মানচিত্র
আমি চেয়ে চেয়ে,নিজের ক্ষুধা নিবৃত করি
তারপর যখন জাবর কাটতে কাটতে
মুখের লালায় ভেসে তোলে সুখের সংসার
আমি চেয়ে চেয়ে সুখ নিয়ে ভাবি
এভাবে,সে বছর থেকে খিদেকে বুঝতে শুরু করি
সুখের সংসারে মিশে থাকে খুনসুটি
আমার তা নেই
সুখের সংসারে মিশে থাকে জাবর কাটার কৌশল
আমার তা নেই
পৃথিবীতে যে দিন থেকে খিদে ফুরিয়ে যাবে
মানুষের পেট মিছেই ভরে থাকবে
সেদিন আমারও খিদে লাগবে না
সে দিনের অপেক্ষায় চেয়ে আছি
অর্থনীতিবিদ
যতটুকুন অর্থের সীমানা দিয়ে
ঢেকে রেখেছে আমাকে
ততটুকুন খিদে দাও হে ঈশ্বর
যতটুকুন অভাবে ঝুলে রেখেছো আমাকে
ততটুকুন চাহিদা দাও হে ঈশ্বর
আমার যতটুকুন খিদে সইবার সীমা আছে
ততটুকুন খিদে দাও
আমি যেনো,অন্তত বেঁচে থাকি
শুধু বেঁচে থাকার সীমা অব্দি ধৈর্য দাও
আমার তেমন কোন সংসার নেই
সংসারের হাল ধরতে মুরদ লাগে
আমার তা নেই
আমি অঙ্কে পাকা হলেও--দূর্ভিক্ষের অঙ্ক বুঝিনা
কিসে খিদে মিটে-কিসে ডাল খিচুরি
ক্লাসের টিচার ভেবেছিলো আমি বড় কিছু হবো
চোখের পলকে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি কতো
অথচ,আমার খিদে ছড়িয়ে যাচ্ছে দিকবিদিক
ডালে ডালে খিদের পেঁচা, বিছিয়েছে রাজ্য
সেই রাজ্যের আমি রাজা
খিদেকে চিনিনি বলে অর্থ চিনিনি
অর্থের রঙিন মুখে আমি কখনো ঝলসে উঠিনি
যারা খিদেকে বুঝেছিলো
তারা এখন অর্থনীতিবিদ
আরো পড়ুন.....
কবিতা হীরক রঙের ভাত পড়ুন এখানে
কবি খৈয়াম কাদের বিষয়ক প্রবন্ধ পড়ুন এখানে
মৃত মানুষের ঘ্রাণ বিক্রি করি পড়ুন এখানে
মিনিখ ও মেরাজের নৈঃশব্দ পড়ুন এখানে
কবিতা অরফিয়াস পড়ুন এখানে
বাংলা একাডেমি পড়ুন এখানে
মাটির হেঁসেল পড়ুন এখানে
উপসচিব ও অন্যান্য কবিতা পড়ুন
ছবি ব্লগ কিস্তি ২ এখানে
জুবিলিদের পাশের বাড়ির মেয়েটি পড়ুন এখানে
কবিতা উপসচিব ও অন্যান্য পড়ুন এখানে
অন্ধ আয়নার গল্প পড়ুন এখানে


0 মন্তব্যসমূহ
ধন্যবাদ আপনাকে