নীলিতারা।। দ্বীপ সরকার
জানালা খুললেই,বাতাসের প্লেনে উড়ে আসে হিম
লোমকূপের রাস্তা ধরে খুব করে দৌড়োয় বরফের ঘোড়া
জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আছে ভোর
আমার এখানে এভাবেই ভোর নামে——পৌষের ভোর
শহরের ফুটপাথ যেনো,কুয়াশায় মোড়ানো
খবরের কাগজের ছাপা অক্ষর,ভিজে যায়
কালো কালো অক্ষরগুলো হকারের কণ্ঠে চ’ড়ে দৌড়োচ্ছে——
পৃথিবীর সংবাদগুলো রমণীর হাসির মতোন ফুটে ওঠে চায়ের কাপে
রং চা—অপরুপ রঙিন হয়ে ওঠে
পৌষ বিকেলে আমরা ছাদে উঠি——হিম হিম কুয়াশা
গ্রামের উঠতি বয়েসী বালিকারা খোঁপায় পিন্দেছে নিওরের বেণি
বেণির বাহাদুারিতে ভরকে যাচ্ছে গোধূলি
এরপর আস্তে আস্তে, রাত্রী নামে
বাঁকা চাঁদ, সাদা দস্তানায় চ’ড়ে এদেশ থেকে ওদেশে যায়
কি সুন্দর করে কথা কয় বাঁকা চাদ আর মেঘ!
যেনো সাত জনমের প্রেমিক প্রেমিকা ওরা
বাঁকা চাঁদ আর মেঘের ভাষা বুঝেছিলো নীলিতারা
আমার বাড়ির সাথেই ওদরে বাড়ি
তারাও এখন বরফের ভাষায় কথা কয়,হাসে
রাগি প্রেমিক বরফের মতোন ঠান্ডা হয়ে যায়,মহুর্তে
পৌষবিকেলে নীলিতারা পাখি হয়ে যায়
প্রতিদিন ভোরে,খেজুরে রসে চুমু জমা রাখে——
তারপর আকাশের নীল দিগন্তে হারিয়ে যায়
সকালে রস বিক্রেতা হাঁক ছাড়ে ‘এই রস নিবি রস’
আমি তখন আশি টাকা দরে এক কেজি রস কিনে নেই
আরো পড়ুন...
অন্ধ আয়নার গল্প পড়ুন এখানে
মেডিকেল ও কাঁটাপাথর এখানে পড়ুন
গোলাম কিবরিয়া পিনু'কর্মকান্ড নিয়ে বিন্তর আলোচনা পড়ুন
৫টি কবিতা পড়ুন এখান
সোনালী কাবিন পাঠ আলোচনা এখানে
পাঁচটি কবিতা পড়ুন
ঝাউপাতার ঝাঁপতাল এখানে পড়ুন
ছবি আর্কাইভ ১ দেখুন
দেহখানি তার চিকন চাঁদ এখানে


0 মন্তব্যসমূহ
ধন্যবাদ আপনাকে